শিশু ও মোবাইল ফোন
"শিশু ও মোবাইল ফোন"
✒ মনসুর আলী গাজী
শিশুটির নাম নীল। তো পুজোর ছুটিতে এই চার বছরের নীলের সারাটা দিন প্রায় কেটে যাচ্ছে মায়ের মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে। সারাক্ষণ খালি কার্টুন আর কার্টুন। এই দেখে দিন কাটছে ওর এখন। এভাবে দিন কুড়ি কাটার পর নীলের চোখ থেকে জল কাটতে লাগল। ওর চোখের সমস্যা এসে গেল। ডাক্তার দেখানো হলো ওকে। ডাক্তারের নির্দেশে ওর মোবাইল ফোন দেখা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হলো। প্রথম কিছুদিন একটু কান্নাকাটি করেছিল বটে। এখন সুস্থ হয়ে উঠেছে।
ডাক্তার নীলের মাকে বললেন, ‘এই আপনাদের মতো বাবা-মায়েদের জন্য কচি কচি শিশুগুলোকে চোখে চশমা পরতে হচ্ছে। ওরা তো ফোন চাইবেই। তাবলে আপনারা ফোন দিয়ে দেবেন ওদের হাতে! না। এমনটা করবেন না, যদি বাচ্চাগুলোকে বাঁচাতে চান।‘
নীলের বাবা আর মা সেইদিন একটা চরম শিক্ষা পেল ডাক্তারের কাছ থেকে!...
লেখক মনসুর আলী গাজী , দঃ ২৪ পরগণা জেলার বারুইপুরের নিবাসী। ১৯৮৪ সালের ৫ই মে বারুইপুরের পিয়াদাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আহম্মদ আলী গাজী ইতিমধ্যে ইহলোক ছেড়ে চলে গেছেন। মায়ের নাম রাবিয়া গাজী। লেখক চার বছরের এক কন্যার জনক। ইংরাজি সাহিত্যে এম এ ডিগ্রিপ্রাপ্ত। ২০১৩ সাল হতে দঃ ২৪ পরগণার গোচারণের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরাজি বিভাগে শিক্ষকতা করে আসছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি লেখালিখি করেন। মূলত গল্প-উপন্যাস লেখেন। লেখকের বেশ কিছু গল্প ইতিমধ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্য সেবাকে স্বপ্ন করে লেখকের এই পথ চলা।


কোন মন্তব্য নেই